সোমবার, নভেম্বর ২৩

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নোয়াখালী জেলার বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ২০২০ পালিত

মানবতার মা, গনতন্ত্রের মানসকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮ প্যানেল প্রত্যাশী নোয়াখালী জেলা কমিটির উদ্যেগে সেনবাগ উপজেলায় “প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, তিনটি করে গাছ লাগান” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ২০২০ সফলভাবে পালন করা হয়।

উক্ত কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনবাগ উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব আরিফ হোসেন স্যার ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব আলী আজগর স্যার । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা কমিটির সভাপতি আইমান তৌসিফ, সিনিয়র সহ-সভাপতি নিউটন পল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরফান চৌধুরী আরাফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ শিশির, সদস্যবৃন্দ : আব্দুল মান্নান, মাহবুব,মোশাররফ, শরীফ, মারজান নিশান, শারমিন টিথি ও রেবেকা সুলতানা। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গাছপালার ভূমিকা অপরিসীম। গাছপালা ও বনভূমি যেমনিভাবে আমাদের জন্য অক্সিজেন সরবরাহ করে ঠিক তেমনিভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকেও পরিবেশকে রক্ষা করে। গাছপালা ও বনভূমি ছাড়া মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জীবনধারণ অসম্ভব। যথেষ্ট পরিমাণে গাছপালা ও বনভূমি না থাকলে পরিবেশ হবে উষ্ণ, পৃথিবী হবে মরুভূমি- ধূলিকাময়। এতে পরিবেশ হবে বিপন্ন। মানুষ পতিত হবে বহুল বিপর্যয়ে।

পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। অথচ বাংলাদেশের মোট বনভূমির আয়তন হচ্ছে- ১৭.৪ ভাগ। এদেশের ভারি জনসংখ্যার তুলনায় বনভূমি খুবই কম। দিন দিন কমে যাচ্ছে বনভূমির আয়তন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কিছু কিছু কেটে নির্বিচারে ধ্বংস করা হচ্ছে প্রাকৃতিক ভারসাম্যকে। মানুষের কাঠ ও জ্বালানী কাঠের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে গিয়ে ধ্বংস করা হচ্ছে বনভূমি। নগরায়ন ও শহরায়নের ক্রমবর্ধমান চাহিদার ফলেও ধ্বংস হচ্ছে বনভূমি। বিলুপ্ত হচ্ছে জীবজন্ত ও বন্যপ্রাণী। এতে হুমকির মুখে পড়ছে দেশ ও দেশের মানুষ।

শুধু বাংলাদেশ নয় পৃথিবী থেকেও বনভূমি দ্রুত ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তাই এখনই উদ্যোগ নিতে হবে বেশি বেশি বৃক্ষ রোপন করে বাংলাদেশের বনভূমিকে মোট আয়তনের ২৫ ভাগে নিয়ে যাওয়ার। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইসলাম বৃক্ষ রোপনের তাগাদা দিয়েছে। এমনকি বৃ্ক্ষ রোপনকে সদকায়ে জারিয়ার সওয়াব হিসেবেও অভিহিত করা হয়েছে। বৃক্ষ রোপনের পর যতদিন পর্যন্ত মানুষ ও জীবজন্তু ওই বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত ফল ভোগ করবে, ছায়া পাবে, ততদিন পর্যন্ত রোপনকারীর আমলনামায় সদকায়ে জারিয়ার সওয়াব লেখা হতে থাকবে।

Comments

comments

Powered by Facebook Comments