মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৩

কলাম

ধর্ষণের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়তে হবেঃ আলহাজ্ব মোঃ খসরু চৌধুরী

ধর্ষণের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়তে হবেঃ আলহাজ্ব মোঃ খসরু চৌধুরী

সারাক্ষন ডেস্কঃ  দেশজুড়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে নারীর প্রতি সহিংসতার হার। সিলেটে এমসি কলেজসহ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে পাশবিক নির্যাতনের ঘটনাসহ সারাদেশে চলমান ধর্ষণ কান্ডের প্রতিবাদে ঝড় উঠেছে রাজধানীসহ সারাদেশে। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বিক্ষোভ-মিছিল করে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। এই প্রতিবাদে এবার যোগ দিয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি , রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক নিপা গ্রুপ ও কেসি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ খসরু চৌধুরী। সংবাদ সারাক্ষনের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘একজন নারীর ছেলে আমি, জীবনে চলার পথে এক স্ত্রীর স্বামী আমি । নারীর ভাই আমি আর আমারও রয়েছে ফুটফুটে কন্যা সন্তান। এক শ্রেণির বর্বর মানুষ বয়স, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে নারী ও শিশুদের প্রতি প্রতিদিনই যে জঘন্য অন্যায় করছে তারপর আমি আর চুপ থাকতে পারিনা। আমার অবস্থান তাই সব ধরনের ঘৃণা ও সহ
সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারী মাদক ব্যবসায়ি জিয়াকে গ্রেফতারের দাবীতে বাকেরগঞ্জ উত্তাল

সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারী মাদক ব্যবসায়ি জিয়াকে গ্রেফতারের দাবীতে বাকেরগঞ্জ উত্তাল

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি॥ সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারী মাদক সম্রাট ও শীর্ষ সন্ত্রাসী জিয়াউল হক আকনকে গ্রেফতারের দাবীতে বাকেরগঞ্জ উত্তাল হয়ে উঠেছে। তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিতে প্রশাসনের রহস্যজনক ভূমিকার বিরোধীতা করে দেড় শতাধিক নারী, পুরুষ গতকাল মানববন্ধন করেছেন। বাকেরগঞ্জ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ আয়োজিত এ মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ মাদক সম্রাট ও শীর্ষ সন্ত্রাসী জিয়াউল হক আকনকে গ্রেফতারের দাবীতে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। রবিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০ টায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ক্রাইম রিপোটার্স সোসাইটির সভাপতি আহমেদ কাওছার ক্ষৌণিশ, বাকেরগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি দানিসুর রহমান লিমন, মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মো. মাসুদ সিকদার, সাংবাদিক বাদশা ফয়সাল খান সবুজ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, মাদকের বি
আর নয় বেকারত্বের অভিশাপ, প্যানেল প্রবর্তনে বেকারত্ব মুক্তিপাক: আরফান চৌধুরী আরাফ

আর নয় বেকারত্বের অভিশাপ, প্যানেল প্রবর্তনে বেকারত্ব মুক্তিপাক: আরফান চৌধুরী আরাফ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট এখন নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংকট নিরসনে নেওয়া হচ্ছে না কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ। আস্তে আস্তে ভেঙ্গে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা। এই ভঙ্গুর শিক্ষা ব্যবস্থার পিছনে দায়ী কে ? প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার অবক্ষয়ের পিছনে যদি কাউকে দায়ী করা হয় নি:সন্দেহে আঙ্গুল উঠবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপর। তাদের অদক্ষতা,অব্যবস্থাপনা ও দূরদর্শী চিন্তার অভাবে আজ প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত, অবহেলিত । প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অদক্ষতা,অব্যবস্থাপনা ও খামখেয়ালিপনার চিত্র ফুটে উঠেছে তাদের পেশাদারিত্বের মধ্যেও। করোনাভাইরাসের প্রকোপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি অফিস ও আদালত ছুটির মধ্যে সরকারি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়। সরকারি আদেশ প্রতিপালনে গত ৯ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অধিদপ্
যে মৃত্যু আমাদেরও কাঁদায়, অনুভূতি শূন্য করে দেয়

যে মৃত্যু আমাদেরও কাঁদায়, অনুভূতি শূন্য করে দেয়

সিরাজুল ইসলাম,লালমনিরহাট প্রতিনিধি:  নিশ্চিত মৃত্যুর পৃথিবীতে কিছু কিছু মৃত্যু বড় বেশি ছাপ ফেলে যায়। কাছের দূরের বন্ধুদের হৃদয়ে দাগ রেখে যায়। বড় ভাইয়ের এভাবে চলে যাওয়া মেনে নেওয়া খুব কষ্টদায়ক হয়ে ওঠে। মরহুম আসাদুজ্জমান ভুট্টু ছিলেন সমাজের উচ্ছ্বল প্রাণের তরুণ। সবাইকে হাসি-ঠাট্টায় মাতিয়ে রাখত, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া ছিলেন এক জীবন্ত প্রাণ। যেকোনো খারাপ ব্যবহার, খারাপ কথার জন্য দুঃখিত! আপনি অনেক ভালো ছিলেন। আমার বিশ্বাস আপনি জান্নাতেই যাবেন। যেখানেই থাক, ভালো থাক! গত ২০১৮ (২ জুলাই) সন্ধ্যায় যুবলীগ নেতা মরহুম আসাদুজ্জামান ভুট্টু নিজ বাড়ির সামনে বৈদ্যুতিক লাইনের কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ স্পষ্ট হয়ে মাটিতে পড়ে যান তিনি স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা হাসপাতালে নিলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। লালমনিরহাটে হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নে বিদ্যুৎ স্
গ্রাম-বাংলার মাটির ঘর বিলুপ্তির পথে

গ্রাম-বাংলার মাটির ঘর বিলুপ্তির পথে

মোঃ হাবিবুর রহমান, ঘাটাইল (টাংগাইল) প্রতিনিধি: এক সময় টাংগাইলের ঘাটাইল উপজেলায় প্রতিটি এলাকায়ই ছিল মাটির ঘর। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের নিদর্শন সবুজ ছায়া ঘেরা শান্তির নীড় যা এক সময় ছিল গ্রামের মানুষের কাছে প্রিয় ঘর মাটির ঘর। গরিবের এসি নামেও পরিচিত। কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির বাড়ি গুলো। আগে ঘাটাইল উপজেলার প্রতিটি পাহাড়ি গ্রামেই নজরে পড়তো মাটির বাড়ি, ঝর বৃষ্টি থেকে বাঁচার পাশাপাশি প্রচন্ড গরম ও শীতে বসবাসের উপযোগী এসব মাটির ঘর এখন তেমন একটা দেখা মেলেনা। আধুনিকতার ছুয়ায় ইট,বালু, সিমেন্ট এর তলায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য মাটির ঘর টি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে, হয়তোবা আগামী প্রজন্মের মানুষেরা ইতিহাসের পাতা বা যাদুঘর থেকে জানতে পারবে কোন এককালে ছিল মাটির বাড়ি। প্রাচীন কাল থেকেই এর প্রচলন ছিল, গ্রামের মানুষের কাছে এই মাটির ঘর ঐতিহ্যের প্রতীক ছিল। মাটি সহজলভ্য হওয়ার কারণে বাড়িটি সহজেই তৈরি করতে
জলঢাকায় এক সংবাদকর্মীর মানবেতর জীবন যাপন।।দেখার কেউ নাই

জলঢাকায় এক সংবাদকর্মীর মানবেতর জীবন যাপন।।দেখার কেউ নাই

ডেস্ক রিপোর্টঃ নীলবামারীর জলঢাকায় হাসানুর কাবির মেহেদী ৪০নামের এক সাংবাদিক দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকায় স্ত্রী সন্তান নিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে। পাশে দাড়ানোর মত কেউ নাই। জানা গেছে উপজেলার নেকবক্ত সিদ্ধেশ্বরী গ্রামের মৃত আঃহাইয়ের পুত্র ওই সাংবাদিক ২০০০ইং সালে স্থানীয় সাপ্তাহিক জলকথা দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। পাশাপাশি টিউশনি করে দিন ভাল চলছিল।এর পর আর পিছনে তাকাতে হয়নি তাকে ।সাপ্তাহিক ফলোআপ দৈনিক উত্তরবাংলা বাংলাবাজার কালবেলাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ায় সুনামের সাথে কাজ করেন।২০০১সালে জলকথা পত্রিকাটি দৈনিকে পরিনত হলে সম্পাদক অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা তাকে প্রথমে উপসম্পাদক ও পরে বার্তা বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন।কিন্তু ২০১৪সালে পত্রিকার সম্পাদক এমপি নির্বাচিত হলে অজানা কারনে সহ সম্পাদক প্রিন্টার্স লাইন থেকে তার নাম বাদ দেয়।ফলে বেকার হয়ে যায় সাংবাদিক হাসানুর কাবির মেহেদী। প্
মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন করুন,বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলুনঃ বাবুল মুন্সী

মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন করুন,বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলুনঃ বাবুল মুন্সী

প্রাথমিকে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান ও তার সঠিক বাস্তবায়ন নির্ভর করে সঠিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রম পরিচালনার উপর। কিন্তু বর্তমানে ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা ও অদক্ষতা প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার মেরুদন্ড প্রায় ভেঙে দিয়েছে। এই ভঙ্গুর প্রাথমিক শিক্ষা পদ্ধতি ও ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষার্থী গড়ে তোলা অনেকটাই অসম্ভব। শিক্ষা জাতির উন্নতির চাবিকাঠি। প্রাথমিক শিক্ষা হলো এর ভিত্তি। শিশু শিক্ষার অন্যতম সমস্যা শিক্ষক সংকট, পদোন্নতি ও বৈষম্য। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ১৯৭৩ সালে ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার এক নতুন দিক উন্মোচন করেছিলেন। ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত প্রাথমিকে প্যানেল পদ্ধতি বিদ্যমান ছিল যার কারণে ঐ সময়টাতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষক সংকট ছিল না। কিন্তু এর পরবর্তী সময় থেকে শুরু কর
প্রাথমিকে ৩৭ হাজার মেধাবী প্রার্থীকে প্যানেল গঠনের  মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হোকঃ বাবুল মুন্সী

প্রাথমিকে ৩৭ হাজার মেধাবী প্রার্থীকে প্যানেল গঠনের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হোকঃ বাবুল মুন্সী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি প্রধান অংশ হল প্রাথমিক শিক্ষা। আর প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা যদি বিপর্যস্ত হয় তাহলে মান সম্মত ও যোগ্য শিক্ষার্থী গড়ে তোলা অনেকটাই অসম্ভব। দেশ সেবার দক্ষ কারিগর গড়ে তোলার জন্য মৌলিক শিক্ষা একান্ত অপরিহার্য। আর এই মৌলিক শিক্ষাই হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা। এ স্তরের শিক্ষার গুরুত্ব এমন পর্যায়ে যে গুণগত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারলে দেশের নানা খাতে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা প্রয়োজনানুযায়ী পর্যাপ্ত গুরুত্ব পাচ্ছে কি? প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলমান শিক্ষক সংকট ও শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশার মাধ্যমে আমরা তার বাস্তব চিত্র দেখতে পাই। ২০১৮ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় রেকর্ড সংখ্যক ২৪ লক্ষ পরীক্ষার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় আমরা ৫৫,২৯৫ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হই যা ছিল মোট পরীক্ষার্থীর শতকরা
করোনা কারণে বিপর্যস্ত জনজিবন

করোনা কারণে বিপর্যস্ত জনজিবন

সিরাজুল ইসলাম,লালমনিরহাট প্রতিনিধি:  বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও করোনার প্রভাবে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। লকডাউনে বেশীর ভাগ মানুষ কর্মহীন। তাদের হাতে নগদ টাকা নেই। দীর্ঘদিন এভাবে চলায় মনে শান্তি ফুরিয়ে যাচ্ছে। নিশঃপ্রভ হয়ে পড়ছে আশা আকাংখা। একদিকে খাবার সংগ্রহ অন্যদিকে করোনা প্রতিরোধ সবমিলে খুব সংকীর্ণ প্রত্যাহিক জীবনযাত্রা। এখন সবার মনে শংকা বাঁচবে না মরবে। বর্তমান পরিস্হিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বড় আশার কথা শুনালেন । তিনি বললেন করোনাকে ভয় করে হারলে চলবেনা, জিততে হবে। এই কঠিন অবস্তাকে মোকাবেলা করেই সবায়কে বাঁচার সংকল্প করতে হবে। দেশের জনগনকে বাঁচাতে যা যা প্রয়োজন তাই করা হবে। কেউ হতাস হবেননা। বর্তমান প্রজন্ম এমন কঠিন দূরাবস্তা আগে কখনো দেখিনি তাই করোনার জীবন গ্রাসকে বড়ই মরন ব্যাধি মনে করছে। তারা আজ বেঁচে থাকতে চরম ভাবে ভয় দ্বিধায় দিন যাপন করছে। তারপরও সহসা করোনা প্রতিকারে কোন ভেকসিন না আসায় আরো
শেখ আব্দুল্লাহর মৃত্যুতে গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের শোক প্রকাশ

শেখ আব্দুল্লাহর মৃত্যুতে গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের শোক প্রকাশ

সারাক্ষন ডেস্কঃ  ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না নিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন) তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। আমরা মরহুমের আত্মা মাগফিরাত কামনা করছি। তাঁর জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। মহান আল্লাহ তাঁকে বেহেস্তবাসী করুন। আমিন। শেখ আব্দুল্লাহ ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে শিক্ষক, কোর আনে হাফেজ ও একজন প্রবীন রাজনীতিবিদ। অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ ১৯৪৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার মধুমতী নদীর তীরবর্তী কেকানিয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত ধার্মিক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শেখ মো. মতিউর রহমান এবং মাতা মরহুমা আলহাজ্ব মোসাম্মৎ রাবেয়া খাতুন। চার ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মুজিব বাহিন
বিএমএসএফ মানেই সাংবাদিকদের আশ্রয় স্থল: মোঃ কবির নেওয়াজ রাজ

বিএমএসএফ মানেই সাংবাদিকদের আশ্রয় স্থল: মোঃ কবির নেওয়াজ রাজ

সাংবাদিকদের কাজ সমাজের সঠিক চিত্র জাতির সামনে তুলে ধরা। তাই সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ বলা হয়। নির্যাতিত মানুষ শেষ আশ্রয়স্থল হিসাবে সাংবাদিকদের দারস্থ হয়।আর নির্যাতিত সাংবাদিকদের শেষ আশ্রয়স্থল হল বিএমএসএফ। এই সাংবাদিকরা জাতির সামনে তুলে ধরে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের সুখ, দুঃখ, হাসি কান্না, সাফল্য ব্যর্থতার কথা।প্রতিদিনই কোন না কোন স্থানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে সংবাদ কর্মীরা। একটি স্বাধীন দেশে একজন মানুষ তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হবে তা মেনে নেয়া যায়না। আমি একজন ক্ষুদ্র কলম সৈনিক হিসাবে একটা বিষয় উল্লেখ করেছি- তা হলো জনবান্ধব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা এবং সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বিষয়টি। গণমাধ্যমে শুধু নেতিবাচক কিংবা চলমান ঘটনাই বেশি প্রাধান্য পায় জাতীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে। এই বৃত্ত থেকেও গণমাধ্যমকর্মীদের বেরিয়ে আসার আহবান জানাবো। কারণ একজন স
কৃষক শ্রেণি বাঁচলে, বাংলাদেশ বাঁচবে: মোঃ কবির নেওয়াজ রাজ

কৃষক শ্রেণি বাঁচলে, বাংলাদেশ বাঁচবে: মোঃ কবির নেওয়াজ রাজ

মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে যে অর্থনৈতিক ধস দেখা দেবে তখন টিকে থাকার জন্য খাদ্য নিরাপত্তাই সবার আগে। কৃষকদের অবশ্যই দরকার আছে। কৃষক বাঁচলে, দেশ বাঁচবে। সরকার বাঁচবে, অতিধনী বাঁচবে, শিল্প মালিকরা বাঁচবে। মনে রাখতে হবে। কৃষক মরলে বা মেরে ফেললে কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষ বাঁচতে পারবে না। কারণ টাকা পয়সা ডলার খাওয়া যায় না। আর বিদেশ থেকে এনেও বেশিদিন টিকবে না। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। কৃষকরাই হচ্ছে বাংলাদেশের প্রাণের বন্ধু। কৃষকরা বাঁচলে, বাংলাদেশ বাঁচবে। তাই কৃষকদের উন্নয়নের জন্য স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন কৃষি বান্ধব সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আর বাংলাদেশের কৃষিতে উন্নয়নের যাত্রা শুরু করে ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এজন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মানের
ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়ে তুলার জন্য কাজ করছে বোররচর হেল্পলাইন

ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়ে তুলার জন্য কাজ করছে বোররচর হেল্পলাইন

মোঃ আহসান হাবীব সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ কালের স্বাক্ষীবহনকারী ব্রম্মপুত্র নদীর তীরে গড়ে উঠা সদর উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হলো বোররচর ইউনিয়ন। কালপরিক্রমায় আজ বোররচর ইউনিয়ন শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, খেলা ধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার নিজস্ব স্বকীয়তা আজও সমুজ্জ্বল। ৩নংবোররচর ইউনিয়ন পরিষদ এর আয়তন ৩৩.০৫(বর্গ কি: মি:)। মোট লোক সংখ্যাঃ২৯৬৬৩,পুরুষঃ ১৫৬৩২,মহিলাঃ ১৪০৩১। গ্রামের সংখ্যা -১৩টি। দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে,চরাঞ্জলের রবি শষ্য ও আবাসন। ব্রম্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত মনোরম পরিবেশে বোররচর ইউনিয়ন। আদর্শ ইউনিয়ন বিনির্মাণের লক্ষে ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ৩নং বোররচর ইউনিয়নের কতিপয় শিক্ষিত তরুণদের স্বপ্ন অনলাইন /মাঠ পযার্য়ে একটি অরাজনৈতিক সেবামূলক প্লাটফর্ম তৈরী করতে বোররচর হেল্প লাইন নামে সংগঠন করে। এটি ৫শে আগস্ট ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।বোররচর ইউনিয়নকে একটি ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্র
দর্জি পাখি টুনটুনি

দর্জি পাখি টুনটুনি

মুরাদ হাসান, রূপগঞ্জ ঃ মানুষ জন্মের পর পরই পোশাক তৈরি করা বা ঘর-বাড়ীতে বসবাস করা শিখতে পারেনি। ইতিহাস থেকে জানা যায় মানুষ অতীতে গাছের ছাল-বাকল দিয়ে কোন রকমে লজ্জাস্থান ঢেকে রাখত। ধাপে ধাপে কাপড় বানানো শিখল। বর্তমানে মানুষ অনেক আধুনিক জামা-কাপড় তৈরি করতে ও ব্যাবহার করতে শিখেছে। অনেকে ধারনা করেন পশু-পাখিদের দেখেই মূলত মানুষ ঘর-বাড়ি তৈরি করতে উৎসাহ পায়। আর টুনটুনি পাখির দর্জির মতো করে বাসাবাধা দেখেই মানুষের পূর্ব প্রজন্ম জামা-কাপড় ও বসতবাড়ি তৈরি করতে শেখে। টুনটুনি পাখি নিয়ে কত গল্পগাঁথা আছে তার কোন ইয়ত্তা নেই। টুনটুনি টুনটুনাল সাত রানীর নাক কাটালো। কিন্তু টুনটুনির বাসাবাধার কারুকার্য মুগ্ধ হয়েই নাকি মানুষ ঘরবাধার স্বপ্ন দেখা শুরু করে। অনন্ত চেষ্ঠা আর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই মানুষ বসবাস করার জন্যে আধুনিক ঘরবাড়ি ও ব্যবহারের জন্যে পোশাক তৈরি করতে সক্ষম হয়। টুনটুনি পাখিদের দর্জি পাখি বলা হয়। তার
রূপগঞ্জে খেয়াঘাটের মাঝিদের দুর্দিন

রূপগঞ্জে খেয়াঘাটের মাঝিদের দুর্দিন

মুরাদ হাসান, রূপগঞ্জ ঃ “জায়গায় জায়গায় তৈরি হচ্ছে সেতু, এছাড়াও রয়েছে বাঁশের সাঁকো। এমনিতেও আয় রোজগার তেমন একটা হয় না। তারওপর করোনার কারণে ২ মাস ধরে নৌকা চলে না, ঘরে রান্নাও হয় না। বউ ছেলে মেয়ে নিয়ে যে কত কষ্টে আছি তা আর বলে বুঝাতে পারব না। ত্রাণ তো নামে মাত্র দু’একবার পেয়েছি। এতে করে কি আর সংসার চলে। সামনে ঈদ আসতাছে। কি করব ভেবে পাচ্ছি না। আল্লাহ ই জানে কি আছে কপালে।” এমনি করে মনের ক্ষোভে কথাগুলো বলছিলেন ঘাঠের মাঝি কাইয়ুম মিয়া। রূপগঞ্জের শীতলক্ষ্যা ও বালু নদের খেয়া ঘাটের নৌকার মাঝিরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। করোনার প্রভাবের কারণে গত দুই মাস ধরে মাঝিরা অলস সময় পার করছে। লকডাউনের কারণে এসব নৌকা বন্ধ করে দেওয়া হয়। নৌকা বন্ধ থাকায় ১৪’শ মাঝি গত দুই মাসে প্রায় পৌনে ২ কোটি টাকার আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শীতলক্ষ্যা নদের তারাব-ডেমরা, চনপাড়া-নোয়াপাড়া, পূর্বগ্রাম-রূপসী, বড়াল-গন্ধবপুর, ইছাখ
প্রচারের অভাবে নিভৃতে আয়ারল্যান্ডের মুসলমানরা

প্রচারের অভাবে নিভৃতে আয়ারল্যান্ডের মুসলমানরা

ক্যাথলিক গির্জার দেশ বলা হয় আয়ারল্যান্ডকে। দেশটিতে দ্রুত বিকাশমান ধর্ম হিসেবে ইতোমধ্যেই ইসলাম জায়গা করে নিয়েছে। আয়ারল্যান্ডে ৫০ হাজারের মতো মুসলমান বসবাস করেন। এটা মোট জনসংখ্যার ২ শতাংশ। তবে মুসলমানদের সংখ্যা ২০২০ সালে এক লাখে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে। আয়ারল্যান্ডের প্রায় প্রত্যেক শহরেই মসজিদ ও মক্তব রয়েছে। আয়ারল্যান্ডের মুসলিম ছাত্রীরা হিজাব পরে স্কুলে যেতে পারে। সেখানে রয়েছে ইসলামি পোশাকের প্রচুর চাহিদা। সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডের লিমেরিক শহরে এক বাংলাদেশি প্রথম ইসলামি পোশাকের দোকান খুলে বেশ নাম কামিয়েছেন। লিমেরিকে প্রায় দুই হাজারের অধিক মুসলমানের বাস। শহরটিতে ৪টি মসজিদ আছে। বর্তমানে আইরিশ বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মুসলিম শিক্ষার্থীদের পছন্দের গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। আয়ারল্যান্ডের মুসলিম ছাত্র সংগঠনগুলো ইসলাম ও মুসলমানদের ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিবছর ‘ইসলামিক