মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৩

লাইফস্টাইল

নারীর চুলের সৌন্দর্যে করনিয়

নারীর চুলের সৌন্দর্যে করনিয়

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ থেকে শুরু করে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল, নারী চুলের সৌন্দর্যের বন্দনায় মেতেছেন অনেক কবি-সাহিত্যিক। কেউ প্রিয়তমার ঘন অন্ধকার কালো চুলে দিশা হারিয়েছেন, তো কেউ প্রিয়ার চুলের খোঁপায় তারার ফুল দেওয়ার অভিপ্রায় প্রকাশ করেছেন। যুগে যুগে চুলের এমন বন্দনা যেমন হয়েছে, তেমন আদর্শ চুলের অধিকারী হতে হলে কী কী করতে হবে তা নিয়েও হয়েছে বহু চুলচেরা বিশ্লেষণ। দীঘল কালো কিংবা ঘন চুল পাওয়ার প্রচেষ্টায় এ যাবৎ অনেক সময় ব্যয় করা হলেও, আদর্শ চুলের অন্যতম প্রধান একটি বৈশিষ্ট্য বরাবরই অবহেলিত রয়ে গেছে। আর তা হলো, কোমল চুল। যে চুলে একবার হাত দিলে, ছুঁয়ে দেখতে মন চাইবে বারেবার। চুলে হাত দেওয়ার পর যদি খড়কুটো ধরার অনুভূতি হয়, তবে সে চুল যত লম্বা, ঘন কিংবা কালোই হোক না কেন দ্বিতীয়বার হাত রাখার ইচ্ছেটা নাই হয়ে যেতেই পারে। তবে এ সময়ের ফ্যাশনিস্তারা সব বিষয়েই সমান সচেতন। তাই এখন গ
“বহেড়া”য় বাড়বে হজমশক্তি!

“বহেড়া”য় বাড়বে হজমশক্তি!

অনলাইন ডেস্কঃ বহেড়া এক ধরনের ঔষধি ফল। বহেড়া ফল উপমহাদেশের প্রাচীনতম আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। বহেড়া বিশেষভাবে পরিশোধিত হয়ে এর ফল, বীজ ও বাকল মানুষের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। আসুন জেনে নেয়া যাক বহেড়া ফলের ঔষধিগুণগুলো- হজমশক্তি বাড়াতে : বহেড়া হজমশক্তি বৃদ্ধিকারক। এ ফলের খোসা ভালো করে গুঁড়া করে নিন। পানির সঙ্গে এ গুঁড়া দিনে দু’বার খেয়ে যান। ক্ষুধামান্দা তাড়াতেও একই প্রণালী অনুসরণ করতে পারেন। আমাশয় থেকে দূরে থাকতে : আমাশয়ে ভুগছেন? তাহলে প্রতিদিন সকালে বহেড়ার গুঁড়া মেশানো পানি খেয়ে যান। উপকার পাবেন। হাঁপানি থেকে মুক্তি পেতে : বহেড়া বীজের শাঁস ২ ঘণ্টা অন্তর চিবিয়ে খেলে হাঁপানি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এ পদ্ধতি মেনে চলুন। কৃমি নাশ করে : পেটে কৃমি হয়েছে? হাতের কাছে সমাধান হিসেবে বহেড়া রয়েছে। ডায়রিয়া প্রতিকারে : ডায়রিয়া হলে বহে
লেবুর রসে সর্দি, কাশি দূর হবে নিমিষেই

লেবুর রসে সর্দি, কাশি দূর হবে নিমিষেই

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ তীব্র গরমে শরীর সুস্থ রাখতে পাতিলেবু খাওয়াটা অত্যন্ত জরুরি ৷ পাতিলেবুর রস শরীরের বিভিন্ন উন্নতিসাধন করে ৷ পাতিলেবুতে ভিটামিন সি আছে তাই কাটাছেঁড়া জায়গা অত্যন্ত সহজেই মেরামত সম্ভব হয়, যদি পাতিলেবু খাওয়া যায় ৷ হাড়, তরুণাস্থি বা টিস্যুর স্বাস্থ্য ভাল রাখে ৷ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ৷ সর্দি, কাশির সমস্যা দূর হয় পলকেই ৷ বিএমআর বা বেসিক মেটাবলিক রেট ভাল রাখে, শরীরে পিএইচ ব্যালান্স সঠিক রাখে ৷ রক্তে পিএইচের সঠিক হার বজায় রাখে ৷ সেই সঙ্গে দৌড়ঝাঁপ করার শক্তি যোগায় পাতিলেবু, ক্রমশই এনার্জি বাড়ায় ৷ শুধু তাই নয়, প্রতিদিন পাতিলেবু একটু উষ্ণ গরম পানির সঙ্গে খেলে অবাঞ্ছিত মেদ ঝরে যায়৷
এখন যেসব খাবার খাওয়া উচিত!

এখন যেসব খাবার খাওয়া উচিত!

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক থাকলে বিভিন্ন রোগ ও সংক্রমণ থেকে বাঁচা যায়। ভিটামিন সি শরীরের এই ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। যেসব খাবারে পাওয়া যায় বিভিন্ন ফল ও সবজিতে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। যেমন ফলের মধ্য়ে আছে কিউই, লেবু, কমলা, পেঁপে, পেয়ারা, আঙুর, জাম্বুরা, আমলকী, আমড়া, স্ট্রবেরি। আর সবজির মধ্যে ব্রাসেলস স্প্রাউট, ব্রকোলি, মরিচ এসব। তবে মনে রাখতে হবে ভিটামিন সি তাপ-সংবেদনশীল। তাই রান্নার সময় একটু সতর্ক থাকতে হবে। উপকারিতা শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে ভিটামিন সি। সাধারণ সর্দি-কাশিতেও এটি অনেক উপকারী। এছাড়া ত্বক, দাঁত ও চুল ভালো রাখতে সহায়তা করে ভিটামিন সি। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, টিউমার, ক্যানসারসহ নানান কঠিন অসুখের জন্য দায়ী ফ্রি-র‌্যাডিক্য়াল, যা ফরমালিন ও কীটনাশকযুক্ত খাবার খাওয়ার কারণে আমাদের শরীরে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে। এছাড়া দূষিত পরিবেশ
লিপস্টিক ব্যবসায় মন্দা!

লিপস্টিক ব্যবসায় মন্দা!

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ নারীদের সবচেয়ে পছন্দের মেকআপ সঙ্গী হল লিপস্টিক। অন্য কোনও সাজগোজ না করলেও ঠোঁটজোড়া একটু রাঙিয়ে নিতে ভালোবাসেন তারা। কিন্তু সেই ঠোঁটের সাজে বাধ সেধেছে করোনাভাইরাস। করোনার কারণে এখন বাইরে বের হলেই পরতে হবে মাস্ক। তাই অনেকটা বিপাকে পড়েছেন নারীরা। পছন্দের লিপস্টিকে ঠোঁট রাঙাতে পারছেন না তারা। এই অবস্থায় কমেছে লিপস্টিকের ব্যবহার। লিপস্টিক বিক্রিতেও তার উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। মেকআপ কোম্পানিগুলোও সেই কারণে লিপস্টিকের বদলে আই মেকআপের দিকে নজর দিচ্ছে। মাস্কে মুখ ঢাকা থাকলেও খোলা থাকছে চোখদুটো। তাই বাইরে বেরনোর আগে সেটাকেই সুন্দর করে সাজাতে চাইছেন নারীরা। লিপস্টিক, লিপলাইনার, লিপজেলের পরিবর্তে এখন বাজারে বেশি করে আইলাইনার, মাসকারা, আইশ্যাডো নিয়ে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিভিন্ন কসমেটিকস কোম্পানি। কসমেটিক্স কোম্পানিগুলোর হিসেবে প্রতিবেশি দেশ ভারতে এমনিত
গোসল করার সময় স্ট্রোক কেন বেশি হয়?

গোসল করার সময় স্ট্রোক কেন বেশি হয়?

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে। কারণ, বাথরুমে ঢুকে গোসল করার সময় আমরা প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজাই, যা একমই উচিত নয়। এটি একটি ভুল পদ্ধতি। এইভাবে প্রথমেই মাথায় পানি দিলে রক্ত দ্রুত মাথায় উঠে যায়।  এতে কৈশিক ও ধমনী একসঙ্গে ছিড়ে যেতে পারে। ফলস্বরূপ ঘটে স্ট্রোক, অতঃপর মাটিতে পড়ে যাওয়া। কানাডার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোকের কারণে যে ধরনের ঝুঁকির কথা আগে ধারণা করা হতো, প্রকৃতপক্ষে এই ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও ভয়াবহ। বিশ্বের একাধিক গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী, গোসলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। এজন্য কিছু নিয়ম মেনে গোসল করা উচিত। সঠিক নিয়ম মেনে গোসল না করলে হতে পারে মৃত্যুও। গোসল করার সময় প্রথম মাথা এবং চুল ভেজানো একদম উচিত নয়। কেননা, মানুষের শরীরে
হ্যান্ড স্যানিটাইজারের গুরুত্ব এতটা বেড়ে গেছে কেন?

হ্যান্ড স্যানিটাইজারের গুরুত্ব এতটা বেড়ে গেছে কেন?

লকডাউনের সময় বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর তো বটেই, বাড়িতে থাকলেও আমরা বার বার হাত ধুয়ে নিচ্ছি হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে। জীবাণুমুক্ত হওয়ার জন্য সাবান বা পানির চেয়েও বেশি নির্ভর করছি। হাত জীবাণুনাশক ব্যবহারের উপরেই বার বার জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকেরাও। কিন্তু কেন এই পরিস্থিতিতে জীবাণুমুক্ত করার গুরুত্ব এতটা বেড়ে গেছে? এটা বুঝতে গেলে আগে জেনে নিতে হবে স্যানিটাইজার সাধারণত কোন কোন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়, আর জীবাণুমুক্ত করার ক্ষেত্রে সেই রাসায়নিকগুলোর ভূমিকা কী? স্যানিটাইজার বানানো হয় সাধারণত তিন ধরনের রাসায়নিক দিয়ে। ইথাইল অ্যালকোহল বা ইথানল। বা, আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল। যার আর এক নাম- আইসোপ্রোপানল। অথবা, বেঞ্জালকোনিয়াম ক্লোরাইড। তিনটি রাসায়নিকই পানি খুব তাড়াতাড়ি দ্রবীভূত হয়ে যায় বলে হাতশুদ্ধি বানানোর উপাদান হিসাবে এদের এতো কদর। স্যানিটাইজার বানাতে মূলত ইথাইল অ্যালকোহল বা ইথানলের ব্যব
খাদ্যদ্রব্যের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ানোর প্রমাণ নেই

খাদ্যদ্রব্যের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ানোর প্রমাণ নেই

করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ এখন আংশিক বা পুরোপুরি লকডাউনে। এমন সময়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। এখন পর্যন্ত খাদ্যদ্রব্যের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ানোর প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। বাজার থেকে ফল-শাক-সবজি এনে খাওয়ার আগে অবশ্যই পরিষ্কার করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে মানতে হবে কিছু নির্দেশনা: ১. ফল, শাক-সবজি ধোয়ার আগে অবশ্যই হাত সাবান দিয়ে ভালোভাবে ২০ সেকেন্ড পরিষ্কার করে নিন। এরপর ফল ও সবজি ধুয়ে নিন। ২. বাজার থেকে কেনা সমস্ত ফল এবং শাকসবজি পানিতে ডুবিয়ে হাত দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। এটিই যথেষ্ট। ৩. এমন গুজব প্রচলিত আছে যে, সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ফল বা শাক-সবজি পরিষ্কার করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্টেশন বলেছে, ফল বা শাক-সবজি পরিষ্কারে এসবের প্রয়োজন নেই। শুধু পানি দিয়ে বাজার থেকে আনা জিনিসগুলো ধুয়ে নিন। কোথাও, কোনও পচা বা দাগ ধরে অংশ দেখলে সঙ্গে
ইফতারে খেজুর কেন খাবেন জেনে নিন!!!

ইফতারে খেজুর কেন খাবেন জেনে নিন!!!

রমজান মাস জুড়েই ইফতারে সবাই কম বেশি খেজুর খেয়ে থাকেন। মুসলিমদের জন্য খেজুর অনেক প্রিয় একটি খাবার। রোজা এলে ইফতারের খাদ্যতালিকায় এর স্থান থাকে সর্বাগ্রে। এ খেজুরের রয়েছে অসাধারণ কিছু পুষ্টিগুণ। খেজুরে রয়েছে ভেষজ ও অনেক পুষ্টি উপাদান; যা সারাদিন রোজা রাখার পর খানিকটা পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। আমরা অনেকেই হয়তো জানি না যে, সৌন্দর্য বর্ধনে এবং শারীরিক সৌন্দর্য ধরে রাখতেও খেজুরের অনেক গুণ রয়েছে। চুল ও ত্বকের ক্ষেত্রে ম্যাজিকের মতো কাজ করে এই খেজুর। খেজুরে রয়েছে পানি, খনিজ পদার্থ, আমিষ, শর্করা, ক্যালসিয়াম, আয়রণ, ভিটামিন ‘বি-১’, ভিটামিন ‘বি-২’ ও সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ‘সি ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সালফার, প্রোটিন। রোজায় দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার কারণে দেহে গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। শরীরের এই প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে খেজুর। তাই প্রতিদিন ইফতারে খে
আরও কর্মশক্তি-আলোকিত দিন

আরও কর্মশক্তি-আলোকিত দিন

প্রতিদিনই আমরা চেষ্টা করি আরও একটু ভালোভাবে দিনটি কাটানোর। কিন্তু অনেক সময় আমাদের ঘুম ঘুম লাগে, কোনো কাজ করতে উৎসাহ পাই না।
ওয়েডিং আর্টে ২০% ছাড়

ওয়েডিং আর্টে ২০% ছাড়

শীতকাল মানেই চারদিকে বিয়ের ধুম। এই সময়কে সামনে রেখে ওয়েডিং আর্ট নিয়ে এসেছে বিয়ের বর-কনের জন্য আকর্ষণীয় প্যাকেজ।
চোখের সৌন্দর্যে

চোখের সৌন্দর্যে

আমরা কোনো উৎসব সামনে রেখে পছন্দের পোশাক পরি, সুন্দর করে মেকআপ করি। কিন্তু আমাদের চোখর চারপাশে কালো দাগ থাকলে সব প্রস্তুতির পরও আমাদের চেহারা অনেক খানি মলিন করে দেয়। ডার্ক সার্কেল থেকে মুক্তি পেতে স্বাস্থ্যকর খাবার: ডার্ক সার্কেল দূর করতে নিয়মিত স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। প্রতিদিনের খাবারে ভিটামিন সি (লেবু কমলা, মরিচ) কে (বাধা কপি, ফুল কপি, টমেটো, শাক) এবং ই( ভুট্টা, বাদাম, মাছ, তেল) সমৃদ্ধ খাদ্য রাখুন। অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস: ধূমপানসহ সব ধরনের মাদক থেকে দূরে থাকুন। ডার্ক সার্কেল দূর করতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। ব্যায়াম: শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত এবং অক্সিজেন সঠিক মাত্রায় প্রবাহিত করতে আমাদের দৈনন্দিন কাজ এবং নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। ব্লাড সার্কুলেশন: চোখের চারপাশের রক্তচলাচল বাড়াতে কয়েক ঘণ্টা পরপর চোখে মুখে পানির ঝাপটা দিন। এতে আমাদের ক্লান্তিভাবও কেটে যা