নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা |
আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৪৭ নং ওয়ার্ডের অলিগলি থেকে শুরু করে চায়ের দোকান—সর্বত্রই এখন একটি নাম আলোচনার তুঙ্গে, তিনি হলেন দক্ষিণখান থানা বিএনপির আহ্বায়ক হেলাল তালুকদার। বিগত ২০২০ সালের নির্বাচনে তিনি কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাধারণ মানুষের বিপুল সমর্থন ও ভালোবাসা পেলেও তৎকালীন স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের ‘সিলেকশন’ প্রক্রিয়ায় জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে ভোটের অধিকার বঞ্চিত হলেও এলাকাবাসীর মন থেকে তাকে মুছে ফেলা যায়নি; বরং সেই থেকে তিনি এই এলাকায় ‘জনতার কাউন্সিলর’ হিসেবেই পরিচিতি লাভ করেছেন।
এলাকাবাসীর মতে, গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও হেলাল তালুকদারের ব্যক্তি ইমেজে কোনো পরিবর্তন আসেনি। হাসিনা সরকারের পতনের মাধ্যমে দেশ যখন রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত হয়েছে, সেই মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার আন্দোলনেও রাজপথে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই দক্ষ ও ত্যাগী নেতা। বর্তমানে তিনি দক্ষিণখান থানা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
হেলাল তালুকদারের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি। এলাকাবাসী জানান, বর্তমানে ক্ষমতার পালাবদল হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো ধরণের চাঁদাবাজি, দখলবাজি কিংবা দুর্নীতির নূন্যতম অভিযোগ নেই। যেখানে রাজনীতির নাম ভাঙিয়ে দখলদারিত্বের খবর শোনা যায়, সেখানে হেলাল তালুকদার নিজ এলাকায় এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
৪৭ নং ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটাররা বলছেন, “আমরা এমন একজন প্রতিনিধি চাই যাকে বিপদে-আপদে পাশে পাওয়া যায় এবং যার হাতে এলাকার সম্পদ ও সম্মান নিরাপদ থাকবে। হেলাল তালুকদার গত নির্বাচনে আমাদের ভোট পেয়েছিলেন কিন্তু তাকে জয়ী হতে দেওয়া হয়নি। এবার আমরা তাকেই কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চাই।”
উন্নয়ন ও সেবার মানসিকতা নিয়ে হেলাল তালুকদার এবারও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রাজপথের এই লড়াকু সৈনিক কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে ৪৭ নং ওয়ার্ড একটি আদর্শ ও মাদকমুক্ত ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে উঠবে—এমনটাই প্রত্যাশা এই জনপদের সর্বস্তরের মানুষের।
সংবাদ সারাক্ষণ- সকল সংবাদ একসাথে